Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Chemistry

shortcuts of chemistry

In this post I will discuss some shortcuts of chemistry     লিটমাস   পরীক্ষা অ = অম্ল, নী = নীল, লা= লাল * অনীলা  = অল্প নীলকে লাল করে আবিস্কারক ই = ইলেকট্রন, টি = টমসন (থমসন) প = প্রোটন, রে = রাদারফোর্ড নী = নিউট্রন, চে = চ্যাডউইক  * ইট পরে নীচে নিস্ক্রিয়   গ্যাস হিলি = হিলিয়াম, নিলি = নিয়ন, আর = আর্গন, কৃপা = ক্রিপ্টন, যায় = জেনন, রংপুরে = রেডন * হিলি নিলি আর কৃপা যায় রংপুরে অপধাতু আসেন = As, বিয়াই = Bi, সবাই = Sb, গিয়ে = Ge, টেবিলে/টুলে = Te, বা = B, সি = Si * আসেন বিয়াই সবাই গিয়ে টুলে/টেবিলে বসি তরল   ধাতু ফ্রান্সে = Fr, বেড়াতে = Br, গোলাম = Ge, হাজীর = Hg, yili(&I = Sb সুই *ফ্রান্সে বেড়াতে গেলাম হাজীর সাথে আইসোটোপ, আইসোবার, আইসোটন আইসোটোপএর শেষে “প” আছে, [অর্থাৎআইসোটোপ এর ক্ষেত্রে প্রোটন সংখ্যা সমান] আইসোবার এর শেষে “বার” আছে। [অর্থাৎ আইসোবার এর ক্ষেত্রে ভর সংখ্যা সমান] আইসোটন এর শেষে “ন” আছে। [অর্থাৎ, এবং আইসোটন এর ক্ষেত্রে নিউট্রন সংখ্যা সমান] পর্যায় সারণীর প্রথম 22টি মৌল মনে রাখার উপায় H HeLi Be B C N O F Ne Na Mg Al Si P ...

রাসায়নিক বিক্রিয়া (Chemical Reaction):

রাসায়নিক বিক্রিয়া (Chemical Reaction): যে প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক পদার্থের আণবিক গঠন পরিবর্তিত হয়ে এক বা একাধিক সম্পূর্ণ নতুন আনবিক গঠনের পদার্থ সৃষ্টি হয় তাকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলা হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে একটি পদার্থ সম্পূর্ণ নতুন ধর্মবিশিষ্ট অন্য একটি পদার্থে পরিণত হয়, কিন্তু পদার্থের মূল উপাদান ও পরমাণুর সংখ্যার কোনও পরিবর্তন ঘটে না। নিম্নে কয়েকটি রাসায়নিক বিক্রিয়ার উদাহরণ দেওয়া হল। (1) সোডিয়াম জলের সঙ্গে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে। (2) হাইড্রোজেন ও ক্লোরিন গ্যাসের মিশ্রণকে আলোতে রাখলে গ্যাস দুটি রাসায়নিক বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস উৎপন্ন করে। (3) পটাশিয়াম ক্লোরেটকে তাপ দিলে পটাশিয়াম ক্লোরাইড ও অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। (4) ফসফরাস ও অক্সিজেনের বিক্রিয়া করে ফসফরাস পেন্টঅক্সাইড উৎপন্ন হয়। (5) নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন পরস্পর বিক্রিয়া করে অ্যামোনিয়া উৎপন্ন হয়। বিক্রিয়ক পদার্থ (Reactants): যে পদার্থ বা পদার্থগুলি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, তাদের বিক্রিয়াশীল পদার্থ বা বিকারক বা বিক্রিয়ক পদার্থ বলে। এখানে, (1) নং বিক্রিয়াটিতে সোডিয়াম ও ...

মৌলিক, যৌগিক ও মিশ্র পদার্থ, অণু-পরমাণুর ধারণা, চিহ্ন ও সংকেতের ধারণা, মিশ্র পদার্থের পৃথকীকরণ:

পদার্থ: আমাদের পৃথিবীর চারিদিকে নানারকম পদার্থ ছড়িয়ে আছে। চেয়ার, টেবিল, কাঠ, লোহা, পাথর,জল, বিভিন্ন গ্যাস,বই, খাতা ইত্যাদি।এই সমস্ত পদার্থগুলির মধ্যে কতকগুলি কঠিন, কতকগুলি তরল এবং কতকগুলি গ্যাসীয়। তাই বলা যায়, যা কিছুটা স্থান অধিকার করে, যার ওজন আছে এবং যার স্থির বা গতিশীল অবস্থার পরিবর্তন করতে চাইলে বাধা দেয়,তাকে পদার্থ বলে। পদার্থের সংজ্ঞা: যা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য, যার ভর আছে যা কিছুটা স্থান অধিকার করে থাকে, এবং যার স্থির বা গতিশীল অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে চাইলে বাধা দেয়, তাকে পদার্থ বলে।যেমন: কাচ, কাঠ, লোহা, জল, দুধ, বায়ু, হাইড্রোজেন প্রভৃতি হল এক একটি পদার্থ। পদার্থের আকার, আয়তন ও অন্যান্য ভৌত অবস্থার পার্থক্য অনুযায়ী পৃথিবীর সমস্ত পদার্থকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। (1) কঠিন পদার্থ (2) তরল পদার্থ (3) গ্যাসীয় পদার্থ কঠিন পদার্থ : সাধারণ অবস্থায় যে সমস্ত পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে, তাদের কঠিন পদার্থ বলে। যেমন: সোনা, রূপা, তামা, পাথর, কাঠ, বালি, লবণ ইত্যাদি কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য: (1) নির্দিষ্ট চাপ ও তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন থাকে। (3) কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট গলনা...