Skip to main content

Arms and The man Summary in Bangla.


আর্মস অ্যান্ড দ্যা ম্যান (Arms and the Man)
নাটকটি সংঘটনের সময় ১৮৮৫ সালে
বুলগেরিয়া ও সার্বিয়ার যুদ্ধের শেষ সময়ে।
নাটকের প্রথম দৃশ্যে নায়িকা রাইনা পেটকফ
(Raina Petkoff) বারান্দায় দাঁড়িয়ে
চন্দ্রালোকিত রাত ও বরফ ঢাকা বলকান
পর্বতমালার সৌন্দর্য উপভোগ করছিল। এ
অসময় তাঁর মা ক্যাথেরিন পেটকফের
(Catherine Petkoff) আগমনে তাঁর কাজের
ব্যঘাত ঘটে। তাঁর মা তাকে একটি খুশির
সংবাদ জানাতেই এসেছিল। তাঁর কাছ
থেকেই আমরা জানতে পারি বুলগেরিয়ান
সেনাবাহিনীর একটি ঘোড়সওয়ার দল
সার্বিয়ান সেনাদের বিরুদ্ধে স্লিভনিজাতে
(Slivnitza ) বিজয় লাভ করেছে। আর এই
ঘোড়সওয়ার বাহিনীর নেতৃত্বে ছিল রাইনার
বাগদত্ত মেজর সার্জিয়াস (Sergius)। এসময়
লৌকা (পরিচারিকা) এসে খবর দেয় যে
সার্বিয়ান সেনাবাহিনীর লোকেরা
বুলগেরিয়ানদের ভয়ে পালিয়েছে এবং
অনেকেই তাদের শহরেও ঢুকেছে। বুলগেরিয়ান
সেনাবাহিনী তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে
তাদের পিছু নিয়েছে। যে কোন সময় তাদের
শহরে গোলাগুলি হতে পারে। সে জন্যে দরজা
জানালা বন্ধ করে তাদের সাবধানে থাকা
উচিত। রাইনা এতে শঙ্কিত ছিল না বরং সে
তাঁর ঘরের জানালা খোলা রেখে দিল। রাতে
একজন লোক এই খোলা জানালা দিয়ে প্রবেশ
করল আর রাইনাকে বলল, যদি সে শব্দ করে
তবে সে তাকে গুলি করে হত্যা করবে। পরে
তাঁর সাথে কথা বলে রাইনা জানতে পারে সে
আসলে জাতিতে একজন সুইস নাগরিক এবং
বেতনভোগী পলাতক সার্বিয়ান সৈন্য। তাঁর
নাম ব্লানশলি (Bluntschli)। লোকটি তাকে
জানালো সে খুবই ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত। রাইনা
সবচেয়ে বিস্মিত হল যখন দেখল সে যুদ্ধ নিয়ে
তাঁর মাঝে কোন গর্ব নেই বরং সে
বুলগেরিয়ান বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের হাত
থেকে পালিয়ে বেচে এসেছে বলে আনন্দিত।
এসময় রাইনার মা ক্যাথেরিন, তাদের ভৃত্য
লৌকা ও একজন বুলগেরিয়ান অফিসার আসে।
রাইনা তখন তাড়াহুড়ো করে তাকে জানালার
কার্টেইন এর পিছনে লুকাতে সাহায্য করে।
তারা ঘরে ঢুকলে বুলগেরিয়ান অফিসারটি
তাকে জানায় যে এখানে একজন পলাতক
সার্বিয়ান সৈন্যকে খুজতে এসেছে। সৈন্যটি
এই বাসার আসেপাশেই কোথাও লুকিয়েছে।
রাইনা জানায় তাঁর ঘরে কেউ লুকিয়ে নেই।
তারা রাইনার কথা বিশ্বাস করে ও চলে যায়।
ক্যাপ্টেন ব্লানশলি তখন রাইনার কাছে
খাবার চাইলে রাইনা তাকে চকলেট ক্রিম
খেতে দেয়। রাইনার জন্যে আরো বিস্ময়
অপেক্ষা করছিল। ব্লানশলি আসলে তাঁর
পকেটে অ্যামুনিশনের প্যাকেটের ভিতরে
চকলেট রাখত। তারপর সার্জিয়াস সম্পর্কে
বলতে গিয়ে ব্লানশলি জানায় এই লোকটা
আস্ত একটা নির্বোধ। সে তাঁর কপালজোরে
যুদ্ধে জিতেছে। কারণ সেদিন সার্বিয়ান
সেনাবাহিনীতে একটা দূর্ঘটনা ঘটেছিল।
ভুলক্রমে সেদিন তাদের মেশিনগানের গুলির
বদলে অন্য অস্ত্রের গুলি সরবরাহ করা
হয়েছিল। এ দুর্ঘটনাটি না ঘটলে, সার্জিয়াস ও
তাঁর সেনাবাহিনীকে গুলি করে ঝাজরা করে
দেয়া হত। এর পরও রাইনা তাকে
(সার্জিয়াসকে) সাহসী বলে আখ্যায়িত করে।
উত্তরে ব্লানশলি তাকে জানায় সার্জিয়াস
একটা নির্বোধ, অপেশাদার ও লোক দেখানো
কাজে বিশ্বাসী। রাইনার বাগদত্ত্ব
সার্জিয়াসকে তিরস্কার করা সত্ত্বেও, সে
ব্লানশলিকে রাতেরবেলা পালাতে সাহায্য
করতে রাজী হয়। ব্লানশলিটি ঘুমিয়ে গেলে
রাইনা তাঁর মায়ের কাছে সাহায্যের জন্যে
যায়। তারা দুজন তাঁর ঘুমে আর ব্যঘাত ঘটায় না
কারণ সে কয়েকদিন ভালোভাবে ঘুমাতে
পারেনি।
নাটকের ২য় পর্বটি শুরু হয় ১৮৮৬ সালের শুরুতে
একই বাড়ির বাগানের একটি দৃশ্যে, যদিও সে
সময় বসন্তকাল শেষ হয়ে গিয়েছিল। এসময়
লৌকা বাড়ির আর এক পুরুষ পরিচারক
নিকোলার সাথে সম্পর্ক করে। লৌকা তাকে
জানায় যে, নিকোলা যতই কাজ করুক না
কেনো সে কোন দিন পরিচারকের উপরে কিছু
হতে পারবে না। লৌকার এর চেয়ে
উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। লৌকা আরো জানায়
জনাব পেটকফের বাড়ির অনেক গোপন খবর
তাঁর কাছে আছে। জবাবে নিকোলাও জানায়
সেও এই বাড়ির অনেক গোপন খবর জানে,
কিন্তু সে কখনোই তাঁর মালিককে এই ব্যপারে
বিপদে ফেলে সুযোগ নিবে না। সেসময় বাড়ির
মালিক জনাব মেজর পেটকফ (Major Petkoff)
যুদ্ধ শেষে বাড়ি ফিরেছেন এবং বাড়িতেই
অবস্থান করছিলেন। মেজর পেটকফ তাঁর
স্ত্রীকে জানায় সেনাবাহিনীতে
সার্জিয়াস এর কখনোই পদোন্নতি হবে না।
কারণ সামরিক কৌশলের ব্যাপারে তাঁর
আসলে কোন জ্ঞানই নেই। এর পরের দৃশ্যে
আমরা দেখতে পাই, সার্জিয়াস মেজর
পেটকফের বাড়িতে আসে। রাইনা তাকে
সাদরেই গ্রহন করে নেয় কারণ সে এখনো তার
অন্তরে একজন বীরের আসনে আসীন ছিল।
সার্জিয়াস তাকে জানায়, সার্জিয়াস আর
কখনোই সামরিক বাহিনীতে পদোন্নতি পাবে
না। রাগের বশে তাই সে তাঁর পদ ত্যাগ
করেছে। এসময় সার্জিয়াস আর মেজর পেটকফ
যুদ্ধ পরবর্তী একটি ঘটনা নিয়ে আলাপ করে।
ঘটনাটি ছিল যুদ্ধ শেষে একজন সুইস সেনাকে
নাকি দু’জন বুলগেরিয়ান মহিলা দেশ ছেড়ে
পালাতে সাহায্য করেছে। রাইনা তাদের
কথিত ঘটনা শুনে বুঝতে পারল, এই দুই মহিলা,
সে আর তাঁর মা ক্যাথেরিন ছাড়া কেউ নয়।
তবে সে এ ব্যপারে চুপ করে থাকল।
এক সুযোগে সার্জিয়াস লৌকার সাথে
গোপনে কথা বলে। সে তাঁর সাথে ছিনালী
করা শুরু করলে লৌকা তাকে জানায় রাইনা
হয়তো তাঁর প্রতি এখন আর বিশ্বস্ত নেই। শুনে
সার্জিয়াস অবাক হয়ে যায়। তারা মঞ্চ ত্যাগ
করে। এর পরের দৃশ্যে মঞ্চে মানে মেজর
পেটকফের বাড়িতে আমরা ব্লানশলিকে
আসতে দেখতে পাই। সে যেই মুহূর্তে বাড়িতে
প্রবেশ করে, তখন মেজর পেটকফ আর
সার্জিয়াস বাড়ির লাইব্রেরিতে বসে যুদ্ধের
কোউশল নিয়ে আলোচনা করছিল। লৌকা তাঁর
কাছে মিসেস ক্যাথেরিনকে নিয়ে আসে।
মিসেস ক্যাথেরিন তাকে দেখে চিনতে
পারে কিন্তু একটা বিষয়ে ভয় পায়, তাঁর
স্বামী আর সার্জিয়াস যদি তাকে দেখে
আটকে দেয় বা কোন সমস্যা সৃষ্টি করে।
ব্লানশলি তাকে জানায় সে মেজর পেটকফের
কোটটি তাদেরকে ফেরত দিতে এসেছিল। এ
সময় রাইনা তাকে দেখে খুবই খুশি হয় এবং
আনন্দের আতিশয্যে তাকে “চকলেট ক্রিম
সোলজার” বলে চিৎকার করে ওঠে। নিজের
ঘরে প্রবেশ করার সময় তাঁর পিতা ও
সার্জিয়াসের সাথে দেখা হয় এবং চিৎকার
করার কারণ হিসেবে বলে সে আসলে একটি
চকলেট দিয়ে একজন সৈন্যের আকৃতি তৈরী
করেছিল যেটা অসাবধানে নিকোলা ভেঙ্গে
ফেলেছিল। মেজর পেটকফ ও সার্জিয়াসের
সাথে ব্লানশলির দেখা হলে তারা তাকে
চিনতে পারে কারণ যুদ্ধের ময়দানে ও শান্তি
চুক্তির সময় তাকে তারা দেখেছিল। মেজর
পেটকফ তাকে তাঁর বাড়িতে থাকতে বলেন।
শেষ অঙ্কে বিভিন্ন ধরনের উত্তেজনার
প্রকাশ ও সেগুলো প্রশমন আমরা দেখতে পাই।
মেজর পেটকফ তাঁর পুরনো কোটটি তাদের
ক্লজেটের মাঝে খুঁজে না পেয়ে তাঁর স্ত্রীর
কাছে সেটা সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁর
স্ত্রী তাকে বলে সেটাতো সেখানেই (নীল
ক্লজেটে) আছে। তখন সে তাঁর স্ত্রীর সাথে
একটি গহনা দিবেন বলে বাজি ধরেন। তাঁর
স্ত্রী তখন নিকোলাকে দিয়ে নীল ক্লজেট
থেকে কোটটি আনায়। এতে মেজর পেটকফ
কিছুটা হতবুদ্ধি হয় কারণ তিনি একটু আগেই
সেখানে সেটা খুঁজে পাননি।
সেনাবাহিনীর কিছু পরিকল্পনা তৈরী ও
অন্যান্য লেখালেখির কাজে মেজর
পেটকফকে ব্লানশলি সাহায্য করে। এর
মাধ্যমে সে ব্লানশলির সেনাবাহিনী ও যুদ্ধ
সম্পর্কে দক্ষতা, যোগ্যতা ও গভীর জ্ঞানের
পরিচয় লাভ করেন। মেজর পেটকফ ও
সার্জিয়াস চলে গেলে (ব্লানশলি ফিরে
আসার পর) এই প্রথমবারের মত আলাদাভাবে
রাইনা ও সে কথা বলার সুযোগ পায়। রাইনা
তাঁর সাথে ভান করা শুরু করে। তাকে বলে যে,
তাঁর জন্যে তাকে দুই দুই বার মিথ্যা বলতে
হয়েছে, যা তাকে নৈতিকভাবে আহত
করেছে। ক্যাপ্টেন ব্লানশলি তাঁর অভিনয়
দেখে আর তাকে বলে যে সেই প্রথম ব্যাক্তি
যে তাঁর এই এই অভিনয় দেখেছে। ব্লানশলি
তাকে ঘৃণা করে কিনা এটা ভেবে, রাইনা তখন
নাটকীয় আচরণ শুরু করে। অন্যদিকে তাঁর এই
ভনিতাপূর্ণ আচরণ দেখে ব্লানশলি মুগ্ধ হয়
কিন্তু এটাকে তেমন গুরুত্ব দেয় না। রাইনা তাঁর
কাছে তাঁর নিজের ছবি, যেটাতে “To my
chocolate cream soldier” লিখে সে তাঁর
পিতার কোটের পকেটে ভরে দিয়ে
দিয়েছিল, সেটা সম্পর্কে জানতে চায়।
ব্লানশলি তাকে জানায় যে, যুদ্ধের সময় সে
তাঁর পিতার কোট এক ব্যবসায়ীর কাছে বন্ধক
রেখেছিল। সেখানে হয়তো কোনভাবে সেটা
হারিয়ে গিয়েছিল। ব্লানশলির কাজে রাইনা
কিছুটা মনঃক্ষুণ্ণ হল। এই সময় ব্লানশলির
কাছে টেলিগ্রামে খবর আসে যে তাঁর পিতা
মৃত্যুবরন করেছে ও সে তাঁর বাবার সম্পত্তি ও
৬টি হোটেলের উত্তরাধিকারী হয়েছে।
মঞ্চ থেকে তারা চলে গেলে লৌকা ও
সার্জিয়াস মঞ্চে প্রবেশ করে। লৌকা ও
সার্জিয়াসের অভিসার চলতে থাকে। লৌকা
তাকে জানায় রাইনা আসলে সার্জিয়াসকে
ভালোবাসে না বরং সে ব্লানশলিকে
ভালোবাসে। এটা শুনে সার্জিয়াসের মাঝে
পৌরুষত্ত্ব জেগে ওঠে এবং সে ব্লানশলিকে
দ্বন্দযুদ্ধের আহবান করে। রাইনা তার সাথে
তর্ক করে ও বলে যে সে লৌকাকে জড়িয়ে
ধরতে দেখেছে। ব্লানশলি তাকে জানায় সে
তাকে সেদিন অস্ত্রের মুখেই ঘরে প্রবেশ
করতে দিয়েছিল। তখন সার্জিয়াস তাঁর
দ্বন্দযুদ্ধের ইচ্ছা ত্যাগ করে। রাইনা জানায়
যেদিন তাকে প্রথম দেখেছিল, সেদিন
থেকেই সে ব্লানশলিকে ভালোবাসে। এটা
জেনে মেজর পেটকফ কিছুটা বিরক্ত হল।
এদিকে সার্জিয়াসও তাঁর লৌকার প্রতি
ভালোবাসা প্রকাশ করে দেয়। তাঁর হাত ধরে
তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। লৌকাও খুশি
হয়ে তাতে রাজী হয়ে যায়। নিকোলা তখন
তাঁর লৌকার সাথে তার Engagement ত্যাগ
করে। ব্লানশলি নিকোলাকে তাঁর হোটেলে
চাকরি দেবেন বলে ওয়াদা দেয়।
ক্যাপ্টেন ব্লানশলি রাইনাকে বিয়ের
প্রস্তাব দেয়। মেজর পেটকফ যখন জানতে
পারেন ব্লানশলি তাঁর পিতার কাছ থেকে
বিশাল সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়েছে,
তখন তিনিও আর দেরি না করে রাজী হয়ে
যান। ব্লানশলি সবকিছু গুছিয়ে নেয়ার জন্যে
দুই সপ্তাহের সময় নিয়ে নিজের বাড়ি ফিরে
আসে।

Comments

Popular posts from this blog

💻 কম্পিউটার বিষয়ক পরিপূর্ণ সংক্ষিপ্ত নোট

💻 কম্পিউটার বিষয়ক পরিপূর্ণ সংক্ষিপ্ত নোট 🟢 ১. কম্পিউটার কী? কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা গাণিতিক, যৌক্তিক ও সিদ্ধান্তমূলক কাজ করতে পারে। এটি পূর্বনির্ধারিত নির্দেশনার (Programs) মাধ্যমে ডেটা প্রসেস করে, সংরক্ষণ করে ও ফলাফল দেখায়। "Computer" শব্দটি এসেছে Latin শব্দ "Computare" থেকে, যার অর্থ "to calculate"। 🟢 কম্পিউটারের ইতিহাস (সুন্দরভাবে বিন্যাস করা নোট) আবাকাস (Abacus) পৃথিবীর প্রথম গণনা যন্ত্র। খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২৫০০ সালের দিকে ব্যাবিলনে ব্যবহৃত হতো। এটি ছিল হাতে চলানো গাণিতিক হিসাবের কাঠামো। চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ১৮৩৩ সালে "Analytical Engine" আবিষ্কার করেন। তাঁকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয় (Father of Modern Computer)। তাঁর ডিজাইনেই পরবর্তী কম্পিউটারের ধারণা আসে। হার্ভার্ড মার্ক-১ (Harvard Mark-1) আবিষ্কার: ১৯৪৪ সালে, IBM-এর সহযোগিতায়। এটি ছিল প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ডিজিটাল কম্পিউটার। দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট, উচ্চতা ৮ ফুট। এটি ইনপুট-আউটপুটসহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করত। ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator...

হার্ডওয়্যার ও মেমোরি (সুন্দর ও সঠিকভাবে সাজানো নোট)

🟢 হার্ডওয়্যার ও মেমোরি (সুন্দর ও সঠিকভাবে সাজানো নোট) --- 💻 ১. হার্ডওয়্যার (Hardware) "Hard" মানে শক্ত এবং "ware" মানে বস্তু বা জিনিস। অর্থাৎ, কম্পিউটারের যে সব অংশ দেখা ও ছোঁয়া যায়, সেগুলোকে হার্ডওয়্যার বলা হয়। উদাহরণ: কিবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি। 🔸 হার্ডওয়্যারকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়: 1. ইনপুট ডিভাইস (Input Devices) ➤ যা দিয়ে কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশনা প্রদান করা হয়। ➤ উদাহরণ: কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ডিজিটাল ক্যামেরা, পেনড্রাইভ, লাইট পেন, ওসিআর মেশিন, ওএমআর মেশিন। 2. সিস্টেম বা প্রসেসিং ইউনিট (System Unit) ➤ ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের কাজ করে। ➤ উদাহরণ: হার্ডডিস্ক (HDD), SSD, র‌্যাম, রম, প্রসেসর (CPU), মাদারবোর্ড, ডিসপ্লে কার্ড। 3. আউটপুট ডিভাইস (Output Devices ) ➤ প্রক্রিয়াজাত ডেটা দেখায় বা প্রিন্ট করে। ➤ উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, রেকর্ডার, প্রজেক্টর। --- 🟢 ২.  হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের পার্থক্য (পয়েন্ট আকারে ) 🔸 হার্ডওয়্যার : 1. কম্পিউটারের দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য অংশ। 2. বাহ্যিক গঠন তৈরি করে, যেমন কিবোর্ড...

কম্পিউটারের প্রজন্মভিত্তিক বিবর্তন (Generations of Computers)

 💻 কম্পিউটারের প্রজন্মভিত্তিক বিবর্তন (Generations of Computers) ১ম প্রজন্ম (১৯৪০–১৯৫৬) প্রযুক্তি: ভ্যাকুয়াম টিউব ইনপুট/আউটপুট: পাঞ্চ কার্ড ও কাগজে ছাপা আউটপুট মেমোরি: ম্যাগনেটিক ড্রাম/টেপ ভাষা: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ বৈশিষ্ট্য: বড় আকৃতির, গরম হতো, ধীরগতি উদাহরণ: ENIAC, UNIVAC I, IBM 650 ২য় প্রজন্ম (১৯৫৬–১৯৬৩) প্রযুক্তি: ট্রানজিস্টর ইনপুট/আউটপুট: পাঞ্চ কার্ড ও প্রিন্টার মেমোরি: ম্যাগনেটিক কোর ভাষা: অ্যাসেম্বলি, FORTRAN, COBOL বৈশিষ্ট্য: আকারে ছোট, দ্রুতগতি, তুলনামূলক নির্ভরযোগ্য উদাহরণ: IBM 1401, IBM 7090, UNIVAC 1107 ৩য় প্রজন্ম (১৯৬৪–১৯৭১) প্রযুক্তি: ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ইনপুট/আউটপুট: মনিটর, কীবোর্ড মেমোরি: ম্যাগনেটিক ডিস্ক ভাষা: BASIC, Pascal, C বৈশিষ্ট্য: GUI (Graphical User Interface) এর সূচনা উদাহরণ: IBM 360, IBM 370, PDP-11 ৪র্থ প্রজন্ম (১৯৭১–বর্তমান) প্রযুক্তি: মাইক্রোপ্রসেসর (VLSI) ইনপুট/আউটপুট: মাউস, স্ক্যানার, মনিটর মেমোরি: RAM, ROM, হার্ডডিস্ক, SSD ভাষা: C++, Java, Python বৈশিষ্ট্য: ছোট আকৃতি, দ্রুত, সাশ্রয়ী উদাহরণ: IBM PC, Apple Macintosh ৫ম প্রজন্ম (বর্তমান ও ভব...