Skip to main content

প্রাইমারি মেমোরি ও সেকেন্ডারি মেমোরির পার্থক্য Memory, Ram, Rom, virus, antivirus, desktop, icon, file, extension, directory

🟢 প্রাইমারি মেমোরি ও সেকেন্ডারি মেমোরির পার্থক্য


প্রাইমারি মেমোরি (Primary Memory):


1. সরাসরি মাইক্রোপ্রসেসর দ্বারা এক্সিকিউট হয়।



2. এটি CPU বা ALU এর সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে।



3. সাধারণত অস্থায়ী (ভোলাটাইল) মেমোরি।



4. ডেটা পাওয়ার পর হারিয়ে যেতে পারে।



5. উদাহরণ: RAM (র‍্যাম), ROM (রোম)।




সেকেন্ডারি মেমোরি (Secondary Memory):


1. বড় আকারে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।



2. ALU বা CPU এর সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত নয়।



3. স্থায়ী (নন-ভোলাটাইল) মেমোরি।



4. ফাইল, সফটওয়্যার, প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে রাখা যায়।



5. উদাহরণ: Hard Disk, Pen Drive, CD/DVD, Floppy Disk।





---


🟢 RAM (Random Access Memory)


RAM হলো একটি অস্থায়ী মেমোরি।


ডেটা ইনপুট দিলে তা প্রথমে RAM-এ যায়, প্রসেসর সেখান থেকে নিয়ে প্রসেস করে।


কম্পিউটার বন্ধ করলে RAM-এর ডেটা মুছে যায়।


RAM-কে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়।




---


🟢 ROM (Read Only Memory)


ROM একটি স্থায়ী মেমোরি যা শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।


ROM-এর তথ্য মুছে যায় না, কম্পিউটার চালু হলে এটি কাজ শুরু করে।


এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।




---


🟢 RAM ও ROM-এর পার্থক্য


1. RAM → অস্থায়ী, ROM → স্থায়ী



2. RAM → রিড এবং রাইট দুটোই করা যায়, ROM → শুধু রিড করা যায়



3. RAM → ভোলাটাইল, ROM → নন-ভোলাটাইল



4. RAM → প্রসেস চলাকালীন কাজ করে, ROM → বুটিং এবং মৌলিক কাজ করে





---


🟢 মেমোরির এককসমূহ (Memory Units)


1. 1 bit = 0 বা 1



2. 1 Byte (B) = 8 bits



3. 1 Kilobyte (KB) = 1024 Bytes



4. 1 Megabyte (MB) = 1024 KB



5. 1 Gigabyte (GB) = 1024 MB



6. 1 Terabyte (TB) = 1024 GB





---


🛡️ ভাইরাস, অ্যান্টিভাইরাস ও কম্পিউটার সিকিউরিটি


ভাইরাস (VIRUS):


Vital Information Resources Under Seize


এটি একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা ডেটা নষ্ট করতে পারে।


ভাইরাস শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন Fred Cohen।



অ্যান্টিভাইরাস (Antivirus):


এটি ভাইরাস সনাক্ত ও দূর করে।


কিছু পরিচিত অ্যান্টিভাইরাস: Dr. Solomon, McAfee, Avast ইত্যাদি।




---


🟢 ডেস্কটপ, আইকন ও ফাইল


ডেস্কটপ:


কম্পিউটার চালু হওয়ার পর পর্দায় যে স্ক্রিন দেখা যায়, তাকেই ডেস্কটপ বলে।



আইকন:


ডেস্কটপে থাকা ছোট ছবির মাধ্যমে সফটওয়্যার বা ফাইল চালু করা যায়।



ফাইল:


ডেটা সংরক্ষণের একক।


প্রতিটি ফাইলের দুটি অংশ থাকে:


1. নাম (৮ অক্ষরের মধ্যে)



2. এক্সটেনশন (যেমন: .doc, .jpg, .mp3)




এই দুটি অংশকে ডট (.) দ্বারা পৃথক করা হয়।





---


🟢 ডিরেক্টরি (Directory) / লোকেশন


যেখানে ফাইল সংরক্ষণ করা হয়, সেটিকে ডিরেক্টরি বা লোকেশন বলা হয়।


Windows-এ একে Folder বলা হয়।


DOS-এর পূর্ণরূপ: Disk Operating System।




---


✅ অতিরিক্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য


RAM = Random Access Memory


ROM = Read Only Memory


CPU = Central Processing Unit


ALU = Arithmetic Logic Unit


DOS = Disk Operating System


VIRUS = Vital Information Resources Under Seize

Comments

Popular posts from this blog

💻 কম্পিউটার বিষয়ক পরিপূর্ণ সংক্ষিপ্ত নোট

💻 কম্পিউটার বিষয়ক পরিপূর্ণ সংক্ষিপ্ত নোট 🟢 ১. কম্পিউটার কী? কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা গাণিতিক, যৌক্তিক ও সিদ্ধান্তমূলক কাজ করতে পারে। এটি পূর্বনির্ধারিত নির্দেশনার (Programs) মাধ্যমে ডেটা প্রসেস করে, সংরক্ষণ করে ও ফলাফল দেখায়। "Computer" শব্দটি এসেছে Latin শব্দ "Computare" থেকে, যার অর্থ "to calculate"। 🟢 কম্পিউটারের ইতিহাস (সুন্দরভাবে বিন্যাস করা নোট) আবাকাস (Abacus) পৃথিবীর প্রথম গণনা যন্ত্র। খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২৫০০ সালের দিকে ব্যাবিলনে ব্যবহৃত হতো। এটি ছিল হাতে চলানো গাণিতিক হিসাবের কাঠামো। চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ১৮৩৩ সালে "Analytical Engine" আবিষ্কার করেন। তাঁকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয় (Father of Modern Computer)। তাঁর ডিজাইনেই পরবর্তী কম্পিউটারের ধারণা আসে। হার্ভার্ড মার্ক-১ (Harvard Mark-1) আবিষ্কার: ১৯৪৪ সালে, IBM-এর সহযোগিতায়। এটি ছিল প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ডিজিটাল কম্পিউটার। দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট, উচ্চতা ৮ ফুট। এটি ইনপুট-আউটপুটসহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করত। ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator...

হার্ডওয়্যার ও মেমোরি (সুন্দর ও সঠিকভাবে সাজানো নোট)

🟢 হার্ডওয়্যার ও মেমোরি (সুন্দর ও সঠিকভাবে সাজানো নোট) --- 💻 ১. হার্ডওয়্যার (Hardware) "Hard" মানে শক্ত এবং "ware" মানে বস্তু বা জিনিস। অর্থাৎ, কম্পিউটারের যে সব অংশ দেখা ও ছোঁয়া যায়, সেগুলোকে হার্ডওয়্যার বলা হয়। উদাহরণ: কিবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি। 🔸 হার্ডওয়্যারকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়: 1. ইনপুট ডিভাইস (Input Devices) ➤ যা দিয়ে কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশনা প্রদান করা হয়। ➤ উদাহরণ: কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ডিজিটাল ক্যামেরা, পেনড্রাইভ, লাইট পেন, ওসিআর মেশিন, ওএমআর মেশিন। 2. সিস্টেম বা প্রসেসিং ইউনিট (System Unit) ➤ ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের কাজ করে। ➤ উদাহরণ: হার্ডডিস্ক (HDD), SSD, র‌্যাম, রম, প্রসেসর (CPU), মাদারবোর্ড, ডিসপ্লে কার্ড। 3. আউটপুট ডিভাইস (Output Devices ) ➤ প্রক্রিয়াজাত ডেটা দেখায় বা প্রিন্ট করে। ➤ উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, রেকর্ডার, প্রজেক্টর। --- 🟢 ২.  হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের পার্থক্য (পয়েন্ট আকারে ) 🔸 হার্ডওয়্যার : 1. কম্পিউটারের দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য অংশ। 2. বাহ্যিক গঠন তৈরি করে, যেমন কিবোর্ড...

কম্পিউটারের প্রজন্মভিত্তিক বিবর্তন (Generations of Computers)

 💻 কম্পিউটারের প্রজন্মভিত্তিক বিবর্তন (Generations of Computers) ১ম প্রজন্ম (১৯৪০–১৯৫৬) প্রযুক্তি: ভ্যাকুয়াম টিউব ইনপুট/আউটপুট: পাঞ্চ কার্ড ও কাগজে ছাপা আউটপুট মেমোরি: ম্যাগনেটিক ড্রাম/টেপ ভাষা: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ বৈশিষ্ট্য: বড় আকৃতির, গরম হতো, ধীরগতি উদাহরণ: ENIAC, UNIVAC I, IBM 650 ২য় প্রজন্ম (১৯৫৬–১৯৬৩) প্রযুক্তি: ট্রানজিস্টর ইনপুট/আউটপুট: পাঞ্চ কার্ড ও প্রিন্টার মেমোরি: ম্যাগনেটিক কোর ভাষা: অ্যাসেম্বলি, FORTRAN, COBOL বৈশিষ্ট্য: আকারে ছোট, দ্রুতগতি, তুলনামূলক নির্ভরযোগ্য উদাহরণ: IBM 1401, IBM 7090, UNIVAC 1107 ৩য় প্রজন্ম (১৯৬৪–১৯৭১) প্রযুক্তি: ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ইনপুট/আউটপুট: মনিটর, কীবোর্ড মেমোরি: ম্যাগনেটিক ডিস্ক ভাষা: BASIC, Pascal, C বৈশিষ্ট্য: GUI (Graphical User Interface) এর সূচনা উদাহরণ: IBM 360, IBM 370, PDP-11 ৪র্থ প্রজন্ম (১৯৭১–বর্তমান) প্রযুক্তি: মাইক্রোপ্রসেসর (VLSI) ইনপুট/আউটপুট: মাউস, স্ক্যানার, মনিটর মেমোরি: RAM, ROM, হার্ডডিস্ক, SSD ভাষা: C++, Java, Python বৈশিষ্ট্য: ছোট আকৃতি, দ্রুত, সাশ্রয়ী উদাহরণ: IBM PC, Apple Macintosh ৫ম প্রজন্ম (বর্তমান ও ভব...